কেন চয়ন করুন: শারীরিক স্বাস্থ্য এবং মানসিক স্বাস্থ্য

Tanya

, Health A2Z

ফিট থাকার সংজ্ঞা কি? ফিট বলতে কি শুধু ফিজিক্যাল ফিটনেস বা মানসিক ফিটনেসের কোনো ভূমিকা আছে? এখানে আমরা স্বাস্থ্য আলোচনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ নিয়ে বিতর্ক করব, কোনটি গুরুত্বপূর্ণ, মানসিক স্বাস্থ্য নাকি শারীরিক স্বাস্থ্য? বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা স্বাস্থ্যকে “সম্পূর্ণ শারীরিক, মানসিক এবং সামাজিক সুস্থতার একটি অবস্থা” হিসাবে সংজ্ঞায়িত করে এবং শুধুমাত্র রোগ বা দুর্বলতার অনুপস্থিতি নয়। তাই মানসিক স্বাস্থ্য এবং শারীরিক স্বাস্থ্য একে অপরের সাথে কীভাবে সম্পর্কিত এবং মানুষের জন্য একচেটিয়াভাবে কাজ নাও করতে পারে তা আমাদের পাঠকদের জানানো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। নিম্নলিখিত নিবন্ধটি মানসিক স্বাস্থ্য বা শারীরিক স্বাস্থ্যের মধ্যে সম্পর্ক এবং পছন্দের উপর আলোকপাত করার প্রয়াস। এটি মানসিক এবং শারীরিক স্বাস্থ্যের মধ্যে সম্পর্ক এবং পার্থক্য কভার করবে।

 

 

 

মানসিক স্বাস্থ্য নাকি শারীরিক স্বাস্থ্য?

 

 

মানসিক স্বাস্থ্যকে এখন বেশি গুরুত্ব দেওয়া শুরু হয়েছে কারণ দেখা গেছে যে বিভিন্ন মানসিক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদেরও তাদের শারীরিক স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটেছে। অনেক পর্যবেক্ষণ ও গবেষণায় এটা প্রমাণিত হয়েছে যে হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তি যদি অত্যন্ত বিষণ্ণ থাকেন তাহলে তাকে নিরাময় করা সহজ নয়।

 

মানসিক স্বাস্থ্য ফাউন্ডেশন দ্বারা পরিচালিত একটি সমীক্ষায় বলা হয়েছে যে সিজোফ্রেনিয়া শ্বাসযন্ত্রের রোগে মৃত্যুর ঝুঁকির তিনগুণ এবং কার্ডিওভাসকুলার রোগে মারা যাওয়ার ঝুঁকি দ্বিগুণ। একজন ব্যক্তির ক্যান্সারে মৃত্যুর ঝুঁকি 50 শতাংশ বৃদ্ধি এবং হৃদরোগে 67 শতাংশ বৃদ্ধির সাথে বিষণ্নতা যুক্ত করা হয়েছে। “এই শর্তগুলির আয়ুষ্কালের উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব রয়েছে।” এটি অবশ্যই মানসিক স্বাস্থ্য বা শারীরিক স্বাস্থ্যের মধ্যে যেকোনো ধরনের বিভ্রান্তি দূর করে।

 

 

 

মানসিক স্বাস্থ্য বা শারীরিক স্বাস্থ্য বজায় রাখতে কী করা উচিত।

 

 

মানসিক এবং শারীরিক স্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ রয়েছে। নিম্নলিখিত কিছু ব্যবস্থা গ্রহণ করে, আপনি আপনার মানসিক এবং শারীরিক স্বাস্থ্য রক্ষা করতে পারেন:

 

  • নিয়মিত ব্যায়াম: নিয়মিত ব্যায়াম করা আপনার শারীরিক স্বাস্থ্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি আপনার হৃদয়কে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে, মানসিক চাপ কমায় এবং আপনার মেজাজ বাড়ায়।

 

  • স্বাস্থ্যকর ডায়েট: একটি সুষম এবং পুষ্টিকর খাবার খাওয়া আপনার শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সর্বাধিক ফল, শাকসবজি, শস্য, প্রোটিন এবং সবুজ শাকযুক্ত খাবার গ্রহণ করুন।

 

  • পর্যাপ্ত ঘুম: পর্যাপ্ত ঘুম আপনার মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি আপনার মেজাজ উন্নত করে, মনোবল বাড়ায় এবং শারীরিক গঠনকে শক্তিশালী করে।

 

  • স্বাস্থ্যকর সম্পর্ক: স্বাস্থ্যকর এবং সহায়ক সম্পর্ক আপনার মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সহায়ক বন্ধু এবং পরিবারের সাথে সময় কাটান, সেইসাথে নিজেকে পেশাদারভাবে বিকাশ করুন।

 

  • মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন: আপনার মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নিন। যোগব্যায়াম, ধ্যান, প্রাণায়ামের মতো মানসিক স্বাস্থ্যের ভারসাম্য বজায় রাখার কৌশলগুলি অনুশীলন করুন। আপনার দৈনন্দিন রুটিনে বিশ্রাম এবং উপভোগের জন্য সময় দিন।

 

  • অধ্যয়ন এবং কাজের ভারসাম্য: শিক্ষা, কাজ এবং শিথিলতার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করুন। অধ্যয়ন এবং কাজের জন্য সময় যাতে আপনি আপনার লক্ষ্য অর্জন করতে সক্ষম হন।

 

  • অকার্যকর বা স্ব-নাশকতার লক্ষণগুলির সাথে মোকাবিলা করুন: আপনি যদি কোনও অকার্যকর বা স্ব-নাশকতার লক্ষণগুলি অনুভব করেন তবে অবিলম্বে একজন মানসিক স্বাস্থ্য পেশাদারের সাথে যোগাযোগ করুন।

 

 

আপনি যদি এই সম্পর্কিত কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে চান তাহলে এখানে ক্লিক করুন. এছাড়াও আপনি আমাদের সাথে WhatsApp এ যোগাযোগ করতে পারেন (+91 9599004311) । এছাড়াও, আপনি আমাদের পরিষেবাগুলির বিষয়ে connect@gomedii.com-এ ইমেল করতে পারেন। আমাদের দল যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আপনার সাথে যোগাযোগ করবে।